যে লেখা পড়েননি আগে:
ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন:
ফাইনাল সেমিস্টারে আপনি ম্যানেজমেন্ট নেন অথবা মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নেন আপনার ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদনে ৫০ মার্ক এবং ভাইভায় ৫০ মার্ক থাকবে। এ দুটো মিলে ১০০ মার্ক। আর বাকি চারটা ফুল সাবজেক্ট থাকবে। ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন ও ভাইভা দুটোতে পৃথক ৫০ এর মধ্যে আলাদা আলাদা করে পাশ করতে হবে অর্থাৎ ফোর্টি পার্সেন্ট মার্ক পেতে হবে। আমার কাছ থেকে যারা ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন লিখে নিতে চান তারা যেনে খুশি হবেন- আমি ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন এর একটি ডেমো কপি তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছি যেটা মেইন ক্যাম্পাসের বেশ কয়জন সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলীকে দিয়ে চেক করাবো। তারা কোন ভুল ত্রুটি পেলে তা সংশোধন করে পরিপূর্ণ ও নির্ভুল ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন এর একটি মডেল তৈরি করব।
এর আলোকে আপনারা যারা আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নিতে চান তাদেরকে লিখে দেওয়া হবে এবং থিসিস পেপারের কমপক্ষে তিন সেট তৈরি করে দেওয়া হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার ইন্টার্নশীপ/থিসিসের কাজ শেষ করে তত্ত্বাবধায়কের স্বাক্ষরসহ সংশ্লিষ্ট স্টাডি সেন্টারে সমন্বয়কারীর নিকট ২ (দুই) কপি প্রতিবেদন জমা দিবেন এবং ১ (এক) কপি মৌখিক পরীক্ষার দিন সাথে নিয়ে আসার জন্য নিজের কাছে সংরক্ষণ করবেন। ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন এর ধরণ (যেকোনো একটি হতে পারে): ক) যেকোনো প্রতিষ্ঠান/সংগঠন বিষয়ক; খ) ব্যবসায় বিষয়ক যেকোনো গবেষণা (ব্যবসায়িক তত্ত্ব, জরিপ ইত্যাদি)।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইন্টার্নশিপ যে প্রতিষ্ঠানে আপনি করবেন সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ইন্টার্নশীপ সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এই সনদের একটি কপি পিডিএফ আকারে আপনাদের সরবরাহ করবো সেটা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাদের প্যাডে প্রিন্ট করে পূরণ করে সিগনেচার করে আনতে হবে যাতে প্রমাণ হবে যে আপনি সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ইন্টার্নশীপ করেছেন। ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন অবশ্যই মৌলিক হতে হবে এবং একজনের সাথে অন্যের কোন মিল থাকা চলবে না। কোনভাবেই এটা তৈরিতে অবহেলা করবেন না। কারণ মার্ক কিন্তু ৫০! আপনার টার্গেট রাখতে হবে ৫০ এর মধ্যে মিনিমাম ৪০ পাওয়ার। এ ব্যাপারে আমার সহযোগিতা অব্যাহত।
দোকান বা কারো ফোন কল পেয়ে চটকদার কথা ও অল্প টাকার ফাঁদে পড়ে তাদের থেকে ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন নিয়ে প্রতারিত হবেন না। কোনো দোকান এমবিএ লেভেলের ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন সমস্ত রুলস ফলো করে তৈরি করে দিতে পারবেন তার নিশ্চয়তা কি আপনার কাছে আছে? আপনার লেখা পান্ডুলিপি তারা বরং প্রিন্টিং-বাইন্ডিং করে দিতে পারবেন। আর থিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লেখার কাজ তো আপনার নিজের হাতে করার কথা। সময় ও সুযোগ না থাকলে সেটা বরং কোন ছাত্র বা শিক্ষককে দিয়ে করানো ভালো। দোকান যদি 'এপিএ রেফারেন্স স্টাইল' কেমন শুধুমাত্র এইটুকু বলতে পারেন তাহলে তার কাছ থেকে নিবেন, বাকী নিয়ম কানুনের কথা না হয় বাদই দিলাম। একটা ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন যেনতেন ভাবে লিখে নাম-রোল পল্টে পাল্টে আপনাদের সবাইকে দিয়ে দিলে এই কপি-পেস্ট কাগজ কি আপনাকে ভালো মার্কস এনে দিবে? তাছাড়া বিষয়বস্তু আলাদা আলাদা হলেও দোকান থেকে কেনা ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদনের ভেতরের লেখাগুলো একটু পড়ে দেখবেন তাতে কতটা অবহেলা ও ফাঁকিবাজির ছাপ রয়েছে। নিজেরা সময় বের করে থিসিস প্রতিবেদন তৈরি করুন, তারপরও দোকান থেকে কিনে নিয়েন না। তাছাড়া কোনো দোকান থেকে ১৫০০-২০০০ টাকা দিয়ে একটা পিডিএফ ফাইল কিনে প্রিন্টিং-বাইন্ডিং করতে গিয়ে আরো ১০০০ টাকা খরচ করে কি পাবেন? তথ্য ও বানানের ভুলে ভরা কতগুলো শীট! বিপরীতে আমার ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন শতভাগ অথেন্টিক হবে, কোনভাবেই আপনার সহপাঠীর সাথে লেখা থেকে শুরু করে রেফারেন্স পর্যন্ত কোথাও মিল খুঁজে পাবেন না। আপনারা দশজন সহপাঠী আমার কাছ থেকে ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন নিলে দশজনকে আমি দশ রকম ভাবে করে দিব, মৌলিক ডিজাইন বাদে ভূমিকা থেকে শুরু করে মূল লেখা সবগুলো আলাদা আলাদা হবে, শুধুমাত্র আমাকে সময় দিবেন। আমার পরিশ্রমের মূল জায়গাটা এখানেই। মেইন ক্যাম্পাস থেকে কেমন ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন তৈরি করতে বলেছে সেটা আমি মেইন ক্যাম্পাসের ছাত্র হিসাবে ভালো জানি। তাছাড়া আমি অষ্টম ব্যাচে প্রথম স্থান অধিকার করেছি। আমার প্রতি বিশ্বাস রাখুন, আমার লেখা ও ডিজাইনের ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন শতভাগ নির্ভুল ও সমস্ত রুলস ফলো করে হবে, যা আপনাকে ৪০ এর বেশি মার্কস পাবার ব্যবস্থা করে দেবে, ইনশাআল্লাহ। মনে রাখবেন- আমি ইন্টার্নশীপ প্রতিবেদন আমার সৃজনশীলতা দিয়ে লিখে দিব ও তৈরি করে দিব, আর কোনো দোকান লিখে দেয় না, শুধুমাত্র তৈরি করে দেয়। পার্থক্যটা এখানেই।
ইন্টার্নশীপ প্রতিবেদনে যে সকল বিষয়বস্তু থাকবে:
ইন্টার্নশীপ/থিসিস প্রতিবেদন যেনতেন ভাবে তৈরি করলে হবে না। এর নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এই নিয়মগুলো সাধারণ অ্যাসাইনমেন্ট পেপার এর থেকেও বেশি নির্দিষ্টকরণ করে দেয় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে লিখতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে আপনার সমস্ত প্রচেষ্টা বৃথাই বলা চলে। কেননা টাকাও যাবে, কষ্টও হবে। আবার নিজে মনোযোগ দিচ্ছেন না অথবা যেনতেন ভাবে কারো কাছ থেকে করিয়ে নিচ্ছেন, ফলে হয়তো পাস মার্ক জুটছে কিন্তু একটু বেশি মার্কের সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।
ইন্টার্নশীপ প্রতিবেদনের সূচিপত্র যেমন হবে:
উপরের সমস্ত নিয়ম ফলো করলেন এবং সমস্ত অংশ প্রতিবেদনে আনলেন কিন্তু ভেতরের আলোচনা ও লেখা তথ্যসমৃদ্ধ হলো কিনা সেটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা যখন নিজে না লিখে দোকান থেকে এগুলো বানিয়ে আনি তখন সেই সকল ইন্টার্নশিপ প্রতিবেদনের মূল আলোচনা নিম্নমানের হয়ে থাকে ও নানান অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। একজন শিক্ষার্থী ঠিক তখনই অন্যের তুলনায় কম মার্ক পেয়ে থাকেন।
ইন্টার্নশীপ প্রতিবেদন লেখা, প্রিন্টিং ও বাইন্ডিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক:
*ইন্টার্নশিপ প্রতিবেদন তৈরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত 16 টি নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা উচিত। সকল আপডেট নিয়মাবলী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যথার্থ সময়ে আমাদের নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দিবেন। আমরা সেটাই ফলো করবো। উপরের সমস্ত নিয়ম-কানুন এর পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণের মাধ্যমে আপনাকে ইন্টার্নশিপ প্রতিবেদন তৈরি করে দিতে সব ধরনের সহযোগিতায় আমি বরাবরের মতো অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে আহ্বান জানাই সবার আগে আমাকে জানাবেন আপনার কাজটি প্রথমেই শুরু করব কিনা। কেননা এটি মানসম্মতভাবে লেখা ও প্রিন্টিং-বাইন্ডিং করা জটিল ও কষ্টসাধ্য। তাছাড়া বাইন্ডিং ঘরে বসে করা যায় না, এর জন্য বহু সময় ও প্রযুক্তিগত বিষয়ের সহযোগিতা লাগে।
যারা হ্যান্ডনোট/সাজেশন বই অথবা অ্যাসাইনমেন্ট/থিসিস পেপার নিয়েছেন বা নিবেন-
প্রিয় ভাই/বোন, আসসালামু আলাইকুম। আমার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই হ্যান্ডনোট/সাজেশন বই অথবা অ্যাসাইনমেন্ট/থিসিস পেপার আপনাকে দেওয়া হল। বিনিময়ে আমাকে মূল্য দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একটি মাত্র কপি শুধুমাত্র আপনার ব্যবহারের জন্য আপনার কাছে বিক্রয় করা হলো। এর থেকে কপি করা ও শেয়ার না করার জন্য অনুরোধ করা হল। আবারো বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি- কোন ভাবেই যেন আপনার মাধ্যমে দ্বিতীয় কেউ কপি করে নিতে না পারে। এমনও হতে পারে এর মাধ্যমে চক্রবৃদ্ধি হারে এগুলো আরো ১০ জনের কাছে ছড়িয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন ঘন্টার পর ঘন্টা টেবিলে বসে শারীরিক-মানসিক বহু ক্ষতির মুখে পড়ে তৈরি করা এই জিনিসগুলোর আমানত রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার। আমরা জানি- বান্দার হক রক্ষা করা ঈমানের অংশ। আমি জানি- অন্যের ক্ষতি কখনোই আপনি করবেন না। পরপারে আমাদের সাথে এই এমবিএ ডিগ্রী যাবে না, আমানতের খেয়ানত করলে তার ফলটুকু অবশ্যই চলে যাবে। আপনার এমবিএ (বাংলা) প্রোগ্রাম সুন্দরভাবে শেষ করার জন্য আমি রয়েছি সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে। ইনশাআল্লাহ।